সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:০২ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ :
বকেয়া বেতনের দাবিতে বরিশালে ফরচুন সু লিঃ শ্রমিকদের বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ আগৈলঝাড়ায় বিশ্ব মানব পাচার প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা ছদ্মবেশী নারী দাঁড় করিয়ে জমি বিক্রির অভিযোগ, সুষ্ঠু তদন্ত ও দলিল বাতিলের দাবি সততা ও প্রশাসনিক স্বচ্ছতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত চরফ্যাশনের ইউএনও রোমান আফরোজ বরিশাল সদরের চরকরজিতে সরকারি খাল ও চরের মাটি কাটার অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ বরিশালে লজিক ডিবেটিং ক্লাবের নতুন কমিটি গঠন: সভাপতি হাসিবুর, সম্পাদক সিয়াম বাড়ইকান্দি পবিত্র ঈদুল-আযহা উপলক্ষে নাইট প্রীতি ফুটবল ম্যাচ বিবাহিত বনাম অবিবাহিত খেলা অনুষ্ঠিত গৌরনদীতে জিয়াউর রহমান’র শাহদাত বার্ষিকী পালন গাঁজা ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে রিপোর্ট করায় ফেসবুকে হুমকি থানায় মামলার আবেদন। তজুমদ্দিনে অস্ত্র, কার্তুজ ও রকেট ফ্লেয়ারসহ কুখ্যাত ডাকাত হেজু গ্রেফতার। বরিশালে প্রেমিকের বাসায় গিয়ে খুন হলেন প্রেমিকা উজিরপুরে মামলার এক বছর: আসামি গ্রেফতারে পুলিশের বিরুদ্ধে অনীহার অভিযোগ ইউএনও ও সাংবাদিকের যৌথ উদ্যোগে মাথা গোঁজার ঠাঁই ও কর্মসংস্থান পেলেন অসহায় মাহিনুর বাকেরগঞ্জে জমি সংক্রান্ত বিরোধে হামলায় যুবকের মৃত্যু বরিশালের জেল খাল গিলে খাচ্ছে বহুতলা ভবন: নেপথ্যে সিটি কর্পোরেশনের ‘দুর্নীতিবাজ’ চক্র!
করোনার আতঙ্ক কাড়তে না কাড়তেই, ধেয়ে আসছে ভয়ঙ্কর গ্রহাণু

করোনার আতঙ্ক কাড়তে না কাড়তেই, ধেয়ে আসছে ভয়ঙ্কর গ্রহাণু

অনলাইন ডেস্ক :: বিশাল এক গ্রহাণু ধেয়ে আসছে পৃথিবীর দিকে। করোনাভাইরাসের মাঝে ‘ভয়ঙ্কর’ এই গ্রহাণুর খবর নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে বিজ্ঞানীদের মধ্যে।

২৯ এপ্রিল একেবারে পৃথিবীর কক্ষপথের কাছ থেকে প্রবাহিত হয়ে যাবে এটি। এ গ্রহাণুর সঙ্গে পৃথিবীর ধাক্কা লাগলে লাখ লাখ মানুষের মৃত্যু হতে পারে। এমনকি সুনামি, ভূমিকম্প ও প্রবল ঝড়ের মতো প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের সৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে নাসা।

অনেকদিন ধরেই গ্রহাণুটির ওপর নজর রাখছেন নাসার বিজ্ঞানীরা। তারা এর নাম দিয়েছেন ‘অ্যাস্ট্রয়েড ৫২৭৬৮’।

নাসা জানিয়েছে, ২৯ এপ্রিল এই বিশাল গ্রহাণু পৃথিবীর ৬৩ লাখ মিলিয়ন কিলোমিটারের মধ্যে চলে আসবে, যা পৃথিবী থেকে চাঁদের দূরত্বের প্রায় ১৬ গুণ। আর নাসার এই ঘোষণার পরই বিশ্বজুড়ে মহাকাশ বিজ্ঞানীদের মধ্যে এক ধরণের শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

গ্রহানুটি যদি পৃথিবীর এত দূর দিয়ে চলে যায়, তাহলে ভয় কীসের? সেটা বুঝতে ৬.৬ কোটি বছর পেছনের অধ্যায় উল্টোতে হবে। ওই সময় মেক্সিকোর উত্তরে একটি বিশালাকায় গ্রহাণু এসে পড়েছিল। তাতেই বিশাল সংখ্যক ডাইনোসরের মৃত্যু হয়েছিল। আর যে ধুলোর ঝড় উঠেছিল, তাতে ঢেকে গিয়েছিল পুরো পৃথিবী। যার ফলে পরের দশ বছর প্রায় পৃথিবীতে সূর্যালোক সেভাবে পৌঁছায়নি।

নাসা ছাড়াও ইউরোপিয়ান মহাকাশ গবেষণা সংস্থাও (ইসা) এই গ্রহাণুটিকে কড়া পর্যবেক্ষণে রাখছেন। আর তাদের মতে, এই গ্রহাণু থেকে পৃথিবীর কোনো ধরনের ক্ষতিসাধন হওয়ার সম্ভাবনা বেশ কম। তাহলে এই গ্রহাণুকে সম্ভাব্য ক্ষতিকর বলা হচ্ছে কেন? এ সম্পর্কে নাসা বলছে, শেষ মুহূর্তে যদি কোনো কারণে এর গতিপথ পরিবর্তন হয়ে যায়, সেজন্যই সম্ভাব্য ক্ষতিকর বলা হচ্ছে। এই সম্ভাবনাও একেবারে উড়িয়ে দেয়া যায় না।

আনুমানিক ১.১ থেকে ২.৫ মাইল ব্যাস বিশিষ্ট এই গ্রহাণুটি ঘণ্টায় ২০ হাজার মাইল বেগে পৃথিবীর কক্ষপথের কাছ দিয়ে ধেয়ে যাবে। যার প্রভাবে পৃথিবীর চৌম্বকক্ষেত্রে একটি পরিবর্তন আসতে পারে বলে বিজ্ঞানীদের অনেকেই মনে করছেন। একই সঙ্গে পৃথিবীর কিছু জায়গা সাময়িক সময়ের জন্য সূর্যের আলো থেকে বঞ্চিত হতে পারে বলে মনে করছেন কয়েকজন বিজ্ঞানী।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © অনুসন্ধান24 -২০১৯